অপহরণের পর হত্যা: বান্দরবানে ৬ আসামীর যাবজ্জীবন ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড

প্রকাশিত: ৮:০৪ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৯, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বান্দরবানের রাজবিলায় অপহরণের পর হত্যা মামলায় ৬ আসামীকে যাবজ্জীবন ও দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছে ‌বিজ্ঞ আদালত।  বৃহস্পতিবার(১৯ ন‌ভেম্বর) বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবু হানিফের আদালত এই রায় দেন।
আদালত ও আইনজী সূ‌ত্রে জানা যায়, বান্দরবান সদর উপজেলার রাজবিলা ইউনিয়নের চাইপাড়া থেকে ২০১১ সালের ৬ই এপ্রিল ক্যথই মারমা’কে অপহরণ করে নিয়ে দূর্বত্তরা। পরেদিন পাশ্ববর্তী স্থান থেকে অপহৃতের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী হ্লামেনু মারমা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনায় দীর্ঘ শুনানী শেষে ১৫ জন স্বাক্ষী এবং চার আসামীর স্বীকারোক্তী মূলক জমাবন্দিতে গ্রেফতারকৃত পাঁচ জন’সহ ৬ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদ- এবং প্রত্যেক’কে দুই লাখ টাকা করে অর্থদ-ের আদেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবু হানিফের আদালত। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন-উবাচিং মারমা, সাচিং প্রু মারমা, মংহ্লাচিং মারমা, রেজাউল করীম, উমংপ্রু মারমা। অপরজন পলাতক আসামী পুলুশে মারমা। অর্থদ-ের অর্থ হতে অর্ধেক রাষ্ট্রীয় কোষাগারে এবং অবশিষ্ট অর্ধেকাংশ ভিকটিমের স্ত্রী’কে ক্ষতিপুরণ হিসাবে প্রদানের আদেন দেয়া হয়। আইনজীবি মো: ইকবাল করিম জানান, স্থানীয় বাসিন্দার নূরুল কবীরকে অপহরণ করাকে কেন্দ্র করে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে মামলার ভিকটিম ক্যথুই চিং মারমাকে অপহরণ করে হত্যা করা হয় ২০১১ সালের এপ্রিল মাসে। এ ঘটনায় স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় আদালত ৬ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের এবং প্রত্যেক আসামীকে ২ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। রায়ে আমরা সন্তোষ্টু। পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করে সাজা কার্যকরে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাচ্ছি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির বেদারুল আলম।