আলীকদমে দোকান ভাংচুর করে মালামাল লুট ও চাঁদা দাবি

প্রকাশিত: ৬:২৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার ২ নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের আবাসিক রাস্তার মাথায় চায়ের দোকান ভাংচুর ও মালামাল লুটপাটের ঘটনায় আলীকদম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর বেলা অনুমানিক ২টায় আবাসিক রাস্তার মাথায় মোঃ ইয়াছিন হোসেন সিরাজী পিতা,মোঃ ইসলাম প্রকাশ ইসমাইল ডাক্তার নিজ দোকানে এ ঘটনাটি ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- আলীকদম থানাতে গত ১৫/০৯/২০২০ইং তারিখে বাদী মোঃ ইয়াছিন হোসেন সিরাজী (৩২) কে কিল-ঘুষি মেরে জখম করে প্রতিপক্ষরা। পরে চায়ের দোকানে ভাঙচুর করে দোকানের ফ্রীজ,চেয়ার,টেবিল,গ্লাস, অন্যান্য জিনিস পত্রসহ কিছু অংশ লুটপাট করে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে দোকানের মালিক বাঁধা দিলে দোকানের কর্মচারী মোঃ ইকবাল হোসেন(১৭) কে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয় ব্যাক্তিরা উদ্ধার করে তাকে চকরিয়া আল রাজি চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়।
এসময় দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে সটকে পড়ে মাদকাসক্ত বখাটে বিবাদী মোঃ আরফাত(২৬)।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিবাদী মোঃ আরফাত মোবাইল করলে কথা না বলে কলটি কেটে দেয়।

এদিকে প্রাণনাশের আশঙ্কায় বাদী মোঃ ইয়াছিন হোসেন সিরাজী(৩২) জানান, দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার হুমকি দিয়ে আসছে। এর আগেও দোকান উঠিয়ে দেয়ার নানা ভয় ভীতি দেখিয়ে আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছে।

আরও জানান, এ ঘটনায় বাদী হয়ে প্রথমে অভিযোগ পত্র দায়ের করলে পরবর্তীতে মামলা নেয়নি পুলিশ। পরে ৯৯৯ কল দিয়ে অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে রহস্যজনক হলো তারা একই পিতার সন্তান এই ঘটনায় বাদী মোঃ আরফাত(২৬)মোঃ আরমান(২৪) উভয়সাং পিতাঃ,মোঃ ইসলাম প্রকাশ ইসমাইল ডাক্তার একদিন পর থেকেই এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে বখাটে আরফাত। মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে বিবাদী মোঃ ইয়াছিন হোসেন সিরাজীকে। এমন পরিস্থিতিতে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় দোকান বন্ধ রেখে আলীকদম পাট্টাখাইয়া চৈক্ষ্যং আবাসিক রাস্তার মাথা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, এর আগেও আবাসিক রাস্তার মাথায় অনেক বার বাদী ইয়াছিন হোসেনকে মারধর করার হুমকি দেয় এমনকি সম্পৃক্ত ছিল মোঃ আরফাত(২৬) বিভিন্ন এলাকায় অপর্কম কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে সে।

এই বিষয়ে জানতে মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা তুরাগ থানার এস আই আনোয়ারুল ইসলাম জানান, মামলা দায়ের পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কোর্টে চালান করা হয়েছিল। এখন সে জামিনে মুক্ত আছে।

তিনি বলেন “মামলার এজাহারভুক্ত আসামির হুমকি ধামকিতে মামলার বাদী পালিয়ে বেড়াচ্ছে কিনা জানা নাই তবে সে যদি চায় তার দোকান খুলতে পারে তার নিরাপত্তা দেবে পুলিশ। মামলার বাদী অযথাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে তার ধারণা করা হচ্ছে।”

আলীকদম থানার অফিসার্স ইনচার্জ কাজী রাকিব উদ্দীন সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই বিষয়ে এসআই মোহাম্মদ বাবুলকে দায়িত্ব দিয়েছি। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনা নিশ্চিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।