শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২০, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রামগড়ে ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট শাখার উদ্বোধন রাজস্থলীতে ভাঙা সেফটি ট্যাংকিতে দূর্ঘটনার আশঙ্কা চন্দ্রঘোনায় শিক্ষা উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতবিনিময় রাজস্থলীতে কোকোর জন্মদিনে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল লামায় বন্য হাতির তান্ডবে ব্যাপক ফসলের ক্ষেত, জুমচাষ ও বসতবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি রাঙ্গামাটি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রবার্ট রোনাল্ড পিন্টুকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত অস্বাভাবিক হারে নানিয়ারচরে বাড়ল কাঁচা মরিচের দাম লাকসামে একসাথে ৫ সন্তানের জন্মদান রাঙামাটির দূর্গম পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সামগ্রী দিলেন স্মৃতি বিকাশ ত্রিপুরা কাউখালী থানার ওসিকে স্বশরীরে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিলো আদালত

খাগড়াছড়িতে উন্নয়ন কাজে সাধারণ ঠিকাদারদের বঞ্চিত করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, খাগড়াছড়ি।
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২০
  • ১১৯ পাঠক সংখ্যা

খাগড়াছড়ি জেলার উন্নয়ন কাজে সাধারণ ঠিকাদারদের কৌশলে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে বেশ কয়েকজন নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রভাবশালী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। সাধারণ ঠিকাদাররা অভিযোগ করেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর খাগড়াছড়ি প্রকৌশল শাখার প্রকাশিত দরপত্র বিজ্ঞপ্তির ইস্টিমেট কস্ট আইডি নং ৪৫৭৩০৫-এ ২৩,৪০,২৮,০৩৮ (তেইশ কোটি চল্লিশ
লক্ষ আটাশ হাজার আটত্রিশ) টাকা, আইডি নং ৪৫৭৩০৫-এ প্রায় ১৮,৭৬,৪৬,২৮৭.০০ (আঠার কোটি ছিয়াত্তর লক্ষ ছেচল্লিশ হাজার দুইশত সাতাশি) টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

খাগড়াছড়ি উপজাতীয় ঠিকাদার সমিতির সভাপতি মংক্যচিং মারমা এবং সা: সম্পাদক মিল্টন চাকমা অভিযোগ করেছেন, এই দুটি প্যাকেজকে ই-টেন্ডারিংয়ের মাধ্যমে এলটিএম (লিমিটেড টেন্ডারিং মেথড) পদ্ধতিতে (৫% উর্ধ্বে/নিম্ন) প্রতি প্যাকেজ ১-৩ (কোটি) টাকার মধ্যে টেন্ডার আহ্বান করলে জেলার সব সাধারণ ঠিকাদাররা অংশ নিতে পারতো। কিন্তু বিশেষ কয়েকজন প্রভাবশালী ঠিকাদারকে সুযোগ করে দেয়ার লক্ষে পুরো জেলার উন্নয়ন কাজ একই প্যাকেজে ঢুকিয়ে দিয়েছেন।

খাগড়াছড়ির পেশাদার সাধারণ ঠিকাদাররা এই দুটি প্যাকেজকে ভেঙ্গে ছোট ছোট স্কিম করে পুন:দরপত্র আহ্বান করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় তাঁরা নিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

ঠিকাদাররা আরো অভিযোগ করেছেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রকৌশল শাখা লোক দেখানো কয়েকটি উন্নয়ন কাজের দরপত্র আহ্বান করলেও অধিকাংশ কাজই গোপন বিজ্ঞাপনে চলে যাচ্ছে।

এছাড়া প্রকৌশল শাখার বরাদ্দ থেকে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমেও সাধারণ ঠিকাদারদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদকে উন্নয়ন কাজের দরপত্র আহ্বানের ক্ষেত্রে তিন কোটি টাকা পর্যন্ত এলটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা নির্দেশনা দেয়া থাকলেও প্রতিষ্ঠানগুলো খোদ মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা লঙ্ঘন করে চলেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো সংবাদ
error: